জরুরি সংবাদ পাঠান: info@dailytotthotorongo.com আপনার এলাকার চোখ ও কান হতে পারেন! আপনার কাছ থেকে আসা প্রতিবেদন আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ছবি, ভিডিওসহ আপনার সংবাদ পাঠান — আমরা মনোযোগ দিয়ে যাচাই-বাছাই করব এবং যে গুলো প্রকাশ যোগ্য সে গুলো প্রকাশ করবো। আসুন, একসাথে সত্যিকার অর্থে মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠি। ✉️ ই-মেইল করুন: info@dailytotthotorongo.com

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম)

নন্দীগ্রামের মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের বিভিন্ন আর্থিক নথি ও প্রিন্সিপালের বিদায়ের তারিখযুক্ত কাগজপত্র ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে।
প্রকাশ: 12/10/2025 09:31:00 am

দৈনিক তথ্য তরঙ্গ

সত্যের পথে নির্ভীক সংবাদ

বগুড়া-৪ সনদ জালিয়াতি অভিযোগ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট আবেদন ফর্মে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে যে প্রিন্সিপাল ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় নিয়েছেন, সেই ব্যক্তিরই স্বাক্ষর পাওয়া গেছে ২০২৫ সালের একটি আবেদন ফর্মে!

প্রকাশিত কাগজপত্র অনুযায়ী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট আবেদনের ফর্মে প্রিন্সিপালের স্বাক্ষরের তারিখ উল্লেখ আছে ২০ মে ২০২৫। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কলেজের নথি বলছে, ওই প্রিন্সিপাল দায়িত্ব ছেড়েছেন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪-এ। দায়িত্ব ছাড়ার এক বছরেরও বেশি সময় পর তার স্বাক্ষর কীভাবে একটি সরকারি আবেদনপত্রে পাওয়া গেল এই প্রশ্ন এখন জনমনে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

নন্দীগ্রামের মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের বিভিন্ন আর্থিক নথি ও প্রিন্সিপালের বিদায়ের তারিখযুক্ত কাগজপত্র ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, এগুলোই পরিষ্কার প্রমাণ করে যে প্রিন্সিপালের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।
বগুড়া-৪ সনদ জালিয়াতি অভিযোগ

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন—
"যদি প্রিন্সিপাল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতেই বিদায় নেন, তাহলে ২০২৫ সালের ফর্মে তার স্বাক্ষর কোথা থেকে এলো? এমন অসামঞ্জস্যতা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।"

এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের মন্তব্য জানা না গেলেও অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি গুরুতর জালিয়াতি ও প্রতারণার শামিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনাটি প্রকাশের পর

ঘটনাটি প্রকাশের পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন প্রশ্ন
"বিদায় নেওয়া প্রিন্সিপালের নামে পরবর্তী বছরে স্বাক্ষর করল কে?"
এই প্রশ্নের জবাব জানতে চায় স্থানীয় মানুষসহ পুরো জাতি।

🔍 অভিযোগের প্রধান বিষয়গুলো

  • প্রিন্সিপালের বিদায়ের তারিখ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  • সনদ আবেদন ফর্মে স্বাক্ষরের তারিখ: ২০ মে ২০২৫
  • সময়গত অসামঞ্জস্য: ১ বছর ৩ মাসের ব্যবধান
  • জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ

নাগরিকদের দাবি

  • অভিযোগের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন
  • স্বাক্ষর যাচাই করতে বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে
  • দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে
  • সুবিধাভোগী ব্যক্তি ও জালিয়াত দের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনটি আগামী নির্বাচনে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হিসেবে চিহ্নিত। এমন সময় প্রার্থীর বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ উঠায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সচেতন মহলের দাবি, নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা এবং প্রমাণিত হলে প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এই প্রতিবেদনটি জনসচেতনতা তৈরির জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে এই অভিযোগের তদন্ত করবে এবং সত্যতা যাচাই করবে।

আমি আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি?
Type here...
-->