Secure now your Facebook account ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার উপায়।
দৈনিক তথ্য তরঙ্গ
সত্যের পথে নির্ভীক সংবাদ
🔒 ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার সহজ ও কার্যকর উপায়
আজকের ডিজিটাল যুগে ফেসবুক শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়—ব্যক্তিগত, পেশাগত এমনকি আর্থিক দিক থেকেও অনেকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যাওয়া মানে বড় ধরনের ক্ষতি। নিচের কিছু সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চললেই আপনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টকে অনেকটাই নিরাপদ রাখতে পারবেন:
পাসওয়ার্ড এমন হোক যা অনুমান করা কঠিন। এতে বড় হাতের, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করুন। উদাহরণ: Usa@2025secure%
⛔ নিজের নাম, জন্মতারিখ বা মোবাইল নাম্বার দিয়ে পাসওয়ার্ড বানাবেন না।
ফেসবুকের Settings > Security and Login > Two-Factor Authentication এ গিয়ে 2FA চালু করুন।
SMS বা Authenticator App—দুটোর যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন। এতে আপনার পাসওয়ার্ড চুরি হলেও, কেউ একাউন্টে ঢুকতে পারবে না।
কোনো অপরিচিত মেসেজে "আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে" বা "পুরস্কার জিতেছেন" টাইপ বার্তা আসলে ক্লিক না করাই ভালো।
ভাইরাল পোস্টের কমেন্ট বা ইমেইলে থাকা লিংকও সাবধানে চেক করে ওপেন অভ্যাস করুন।
Settings > Apps and Websites এ গিয়ে অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক অ্যাপস/সাইট মুছে দিন। এসবের মাধ্যমেও একাউন্ট হ্যাক হতে পারে।
Settings > Security and Login > Get alerts about unrecognized logins চালু করে রাখলে কেউ নতুন ডিভাইস থেকে লগইন করলে আপনি সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারবেন।
আপনার ফেসবুক যেই ইমেইল বা ফোন নাম্বার দিয়ে চালু করা, তা যেন অন্য কেউ দেখতে করতে না পারে। এসব ইমেইল বা ফোন নাম্বার অন্য কোনো কাজে ব্যবহার না করাই ভালো।
পাবলিক ফ্রি Wi-Fi ব্যবহারে VPN ব্যবহার করুন এবং নিশ্চিত হোন আপনি ফেসবুকের অফিসিয়াল সাইটেই আছেন।
একাউন্ট রিকভার করতে হলে Trusted Friends কাজে লাগে। ৩ থেকে ৫ জন বিশ্বস্ত বন্ধুকে Trusted Contact হিসেবে রাখুন।
ইমেইল, ফোন নাম্বার বা জন্মতারিখ যেন সবার জন্য উন্মুক্ত না থাকে। Privacy Settings থেকে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করুন।
সময় নিয়ে Active Sessions, Device List এবং Login History চেক করুন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে লগ আউট করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
সবসময় আপডেটেড Google Chrome বা Firefox ব্যবহার করুন।
⛔ অজানা বা ক্র্যাকড ব্রাউজারে ফেসবুক লগইন করবেন না।
হ্যাকাররা আপনার ফ্রেন্ড লিস্ট দেখে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করে অ্যাক্সেস নিতে পারে।
Privacy > Who can see your friends list? > Only Me করুন।
Settings > Security and Login > Where You're Logged In থেকে নজর রাখুন। অচেনা লোকেশন বা ডিভাইস দেখলেই লগআউট করুন।
একটি সমস্যায় পড়লে যেন আরেকটি দিয়ে অ্যাকাউন্ট রিকভার করা যায়।
Bitwarden, 1Password, LastPass বা Dashlane ব্যবহার করে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি ও সংরক্ষণ করতে পারেন।
OTP, পাসওয়ার্ড, ইমেইল, এনআইডি, বিকাশ পিন – এসব কখনো মেসেঞ্জারে বা কমেন্টে শেয়ার করবেন না।
নিজের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা যাচাই করতে এই ফিচারটি ব্যবহার করুন:
🔗 https://www.facebook.com/help/securitycheckup
"প্রোফাইল কে দেখে", "অটো-লাইক", "ফলোয়ার বাড়ানো" – এসব অ্যাপ হ্যাকিংয়ের মাধ্যম।
⛔ এগুলোর ব্যবহার আপনার একাউন্ট ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
"Verify your account now", "Official Blue Badge"—এসব ফিশিং মেসেজ। ফেসবুক কখনো এরকম মেসেজ পাঠায় না।
"New login from Chrome/Android" – এমন ইমেইল এলে লোকেশন ও ডিভাইস চেক করুন। অচেনা হলে লগআউট করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।
সব এক্সটেনশন নিরাপদ না। এমনকি কিছু এক্সটেনশন আপনার অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাক করতে পারে।
⛔ শুধু বিশ্বস্ত ও প্রমাণিত এক্সটেনশনই ব্যবহার করুন।
Face ID, Fingerprint, PIN বা Pattern Lock চালু রাখলে ফোন চুরি হলেও ফেসবুক নিরাপদ থাকে।
Chrome-এ পাসওয়ার্ড সেভ থাকলে হ্যাকিং অ্যাপ সহজে তা বের করতে পারে। তাই এই অপশন বন্ধ রাখাই ভালো।
আপনার প্রোফাইলের কোন তথ্য কে দেখতে পাচ্ছে, কোথায় ট্যাগ হয়েছেন—সবই এই অপশন থেকে চেক করা যায়:
🔗 https://www.facebook.com/your_information
আপনার তথ্য আপনার নিরাপত্তা। তাই এখনই সময় সচেতন হবার। নিজে সুরক্ষিত থাকুন, অন্যকেও সচেতন করুন। 🌐🔐
Join the conversation